Posts

Showing posts from April, 2018

জীবন যা শেখায় না

Image
প্রতীকী এই ছবির মতো জীবনে অনেক সময় উল্টো সাঁতারও দিতে হয় । ঘড়ির কাঁটা থেমে নেই। প্রতিটি মুহূর্তেই জীবন থেকে একটি একটি করে সেকেন্ড হারিয়ে যাচ্ছে। যারা সেকেন্ড ধরে ধরে জীবনকে রাঙাতে পারে তারাই একসময় সাফল্যের শীর্ষে পা রাখে। প্রতিটি মুহূর্তকে রাঙিয়ে জীবনকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই সংগ্রাম। সেই সংগ্রামের গল্প মানুষ আর মননভেদে নানা রকম। একেক জনের গল্প একেক রকম হলেও সবার জীবন সামনে এগিয়ে চলছে। কেউ বা ধীরে আবার কেউ বা দ্রুত-সবাই সামনে এগোনোর প্রচেষ্টায় প্রহর গুনছে। জীবন থেকে কিছু বাস্তব শিক্ষা নিতে পারেন। ১. জীবন সব সময়ই সচল। আপনি এখন যে কর্মস্থলে কাজ করছেন ভাবছেন আপনি ছাড়া সব অচল। আসলে কিন্তু না। আপনি যদি আজ কাজ ছেড়ে দেন তাহলে কর্মস্থলে সাময়িক সমস্যা তৈরি হবে, কিন্তু খুব দ্রুত আপনার উপস্থিতি সবাই ভুলে যাবে। তেমনি আজ আপনি হয়তো বন্ধুমহলে বেশ জনপ্রিয়। আপনাকে ছাড়া কোনো আড্ডাই জমে না। জেনে রাখুন, আপনি না থাকলেও আড্ডার রং কোনো অংশেই মলিন হবে না। ২. কোনো কিছুই জীবনে চিরস্থায়ী নয়। আবেগ, অনুযোগ কিংবা অভিযোগ-কোনো কিছুই চিরস্থায়ী নয়। সামাজিক সম্পর্কগুলো সব সময়ই ...

দরকারি ১০ দক্ষতা

Image
মানুষের দক্ষতা সাধারণত দুই ধরনের হতে পারে। কারিগরি ও মানবিক। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার মাধ্যমে কারিগরি দক্ষতার নানান বিষয় ও প্রয়োগ সম্পর্কে জানতে পারি। এর বাইরে বেশ কিছু দক্ষতা আছে, যা নিজে থেকেই আয়ত্ত করতে হয়। সারা পৃথিবীতেই চাকরির ক্ষেত্রে বা বিশ্ববিদ্যালয়ে যে ‘সফট স্কিল’ গড়ে তোলার ব্যাপারে জোর দেওয়া হচ্ছে, সফট স্কিল বলতে সাধারণত এই মানবিক দক্ষতাগুলোকেই বোঝানো হয়। কারিগরি দিক দিয়ে আপনি যতই দক্ষ হন না কেন, মানবিক দক্ষতা না থাকলে ক্যারিয়ারে সফল হওয়া কঠিন। ১০টি প্রয়োজনীয় মানবিক দক্ষতার কথা বলেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউটের (আইবিএ) ম্যানেজমেন্ট কনসালটেন্সি প্রোগ্রামের চেয়ারপারসন, বিজনেস কমিউনিকেশন পরামর্শক ও সহকারী অধ্যাপক সাইফ নোমান খান . ১. যোগাযোগ দক্ষতা পড়াশোনার বিষয়টা যা-ই হোক, যে ক্ষেত্রেই আপনি ক্যারিয়ার গড়েন না কেন, আপনার মধ্যে যোগাযোগের দক্ষতা থাকা জরুরি। ভাষাগত দক্ষতা, ইতিবাচক শারীরিক ভাবভঙ্গি, লেখার দক্ষতা, গল্প বলার দক্ষতা, রসবোধ, শোনার আগ্রহ, পাবলিক স্পিকিং, সাক্ষাৎকার গ্রহণসহ ই–মেইল লেখা, নিজের বক্তব্য তুলে ধর...

গরমে শিশুর আরাম

Image
গরমে শিশুর আরাম     গোসলের পর শিশুর ত্বকে লোশন লাগাতে পারেন । পোশাক নির্বাচনের সময় প্রথম শব্দ যেটি মাথায় আসতে হবে তা হলো, আরাম। কাপড়, কাট আর নকশা মিলিয়ে শেষ শব্দটিও হতে হবে আরাম। খাবার দেওয়ার সময়ও চিন্তা করতে হবে পুষ্টিগুণ। গরমে স্বস্তি দেবে এমন খাবারই বেছে নিতে হবে। সঙ্গে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা। এমন তিন-চারটি বিষয়ের দিকে ভালোভাবে খেয়াল রাখলেই পুরো গরমে শিশু থাকবে সুস্থ। পোশাক-পরিচ্ছদ শিশুকে ঢিলেঢালা পোশাক পরান। সুতি কাপড়ই এই সময়ের জন্য ভালো। গরমে ঘেমে গেলে পোশাক বদলে দিন। হুটহাট বৃষ্টিও নামতে পারে। শিশু বৃষ্টিতে ভিজে গেলেও যত দ্রুত সম্ভব পোশাক বদলে দিন। গোসলে-পরিচ্ছন্নতায় প্রতিদিন নিরাপদ পানি দিয়ে শিশুকে গোসল করান। গোসলের সময় সাবান দিয়ে ভালোভাবে ত্বক পরিষ্কার করিয়ে দিতে হবে। গোসলের পরপরই ভালোভাবে শরীর মুছে দিন। চুল আর চুলের গোড়া মুছে দিন ঠিকঠাক। আঙুলের ফাঁকেও যেন ভেজা না থাকে। শরীর মুছে দেওয়ার পর হালকাভাবে পাউডার লাগাতে পারেন। ঘেমে গেলেও একইভাবে শরীর ও চুল মুছে দেওয়া জরুর...

গোসলে প্রশান্তি

Image
গোসলে প্রশান্তি গোসলে প্রশান্তি আনবে স্নানঘরের সুন্দর পরিবেশ।  কারও কারও দিন শুরু হয় জলের ধারায়। কেউবা দিন শেষের ক্লান্তি দূর করার প্রক্রিয়ায় রাখেন গোসল বা স্নান। আবার গরমের দিনে সকাল ও রাতে গোসল করার অভ্যাসও আছে অনেকের। সবকিছুর পরে প্রতিদিন অন্তত একবার গোসল করতে হবে—মন ও শরীরকে সতেজ ও সুস্থ রাখতে। স্থান-কাল-পাত্রভেদে গোসলের ধরন আলাদা হয়ে থাকে। এই যেমন তুরস্কের গোসলের পদ্ধতির (হাম্মাম) কথাই ধরুন। সেখানে প্রথমেই উত্তপ্ত ঘরে থাকা হয়, এরপর ঠান্ডা পানিতে শরীর পরিষ্কার করা হয়। শরীর মালিশ করানোর রীতিও রয়েছে। সবশেষে ঠান্ডা ঘরে অবস্থানের পালা। এই হলো টার্কিশ বাত। আবার আমরা যে ধরনের বাথটাবের সঙ্গে পরিচিত, জাপানের ঐতিহ্যবাহী টাবগুলো সে রকম নয়। বর্গাকার বাক্সের মতো বিশেষ বাথটাবে বসে উষ্ণ পানিতে শরীর ভেজানো হয়; তবে তা অবশ্যই স্নানঘরে রাখা টুলে বসে শরীর ধুয়ে নেওয়ার পর। শরীরে কোনো ময়লা, এমনকি সাবান লেগে থাকা অবস্থায়ও এই বাথটাবে কেউ বসে না। গোসলের জন্য বিশেষ পোশাকও জাপানের ঐতিহ্য। রাজধানীর আয়ুর্বেদা রিসার্চ অ্যান্ড হেলথ সেন্টারের প...

জীবনজুড়ে যোগা

Image
জীবনজুড়ে যোগা     যোগা বা যোগব্যায়াম কেবল শরীরের জন্য নয়, এটি ইতিবাচক প্রভাব ফেলে মন ও শ্বাস-প্রশ্বাসের ওপরও। যোগা শরীরকে ভালো রাখে। মনকে ঝরঝরে করে। ফুরফুরে মন নিয়ে তাই একজন মানুষ করতে পারেন অনেক কাজ। এগিয়ে যেতে পারেন নিজের লক্ষ্যের দিকে। তাই এটা বলা হয়, জীবনজুড়ে যোগা। কিন্তু মাঝে মাঝে কেবল যোগার চর্চা করলেই কি সব হয়ে যাবে? না, বিষয়টি তেমন নয়। এটিকে নিয়মিত জীবনযাপনের অংশ করে তুলতে হবে। সেই সঙ্গে আরও কিছু বিষয়ের দিকে খেয়াল রাখতে হবে। তাহলেই পাওয়া যাবে সুস্থজীবনের খোঁজ। সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে, একজন মানুষকে নিয়মতান্ত্রিক জীবনযাপন করতে হবে। এ ক্ষেত্রে তার খাদ্যাভ্যাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেই সঙ্গে প্রয়োজন কায়িক পরিশ্রম, নিয়মিত ঘুম, সময়ানুবর্তিতা, শুদ্ধ জীবনচর্চা, ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা, ইতিবাচক চিন্তা করা, সামাজিকীকরণ এবং প্রয়োজন ছাড়া ইলেকট্রনিক স্ক্রিন পরিহার করা। তবে সবাই খ্যাতিমান হবে...

ফিট থাকতে যা করি এবং যা করাটাই যথেষ্ট

Image
ফিট থাকতে যা করি এবং যা করাটাই যথেষ্ট ---------------------------------------------- ব্যায়াম, ডায়েটিং এবং ঘুমের সুষ্ঠু সমন্বয় করেও নিজেকে ফিট মনে হচ্ছে না? আসলে স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনে খুব বেশি কিছু করতে হয় না। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন আসলে আমাদের কি করা উচিত এবং আমরা কি করি। সেই সঙ্গে জানিয়েছেন কতটুকু করাটাই যথেষ্ট। পার্থক্যটা বুঝে নিজেকে সংশোধন করুন। ১. ব্যায়াম : যা করা উচিত : সপ্তাহে অন্তত ৫ বার টানা ৩০ মিনিট ধরে ব্যায়াম করা উচিত। একজন প্রশিক্ষকের কাছে পরামর্শ নিয়ে সঠিক পদ্ধতিতে ব্যায়াম করা উচিত। যা করি আমরা : এক ব্রিটিশ গবেষণায় বলা হয়, ১৮ শতাংশ মানুষ মোটেও ব্যায়াম করেন না। ৪০ শতাংশ মাসে একবার ব্যায়াম করেন। আর ১৬ শতাংশ ফিট থাকতে কোনরকমে ব্যায়াম করেন। যা করা যথেষ্ট : আপনার অত্যাধুনিক ব্যায়ামাগারের প্রয়োজন নেই। উচ্চপ্রযুক্তির মেশিন ব্যবহারেরও দরকার পারেন না। এ ছাড়া দৈনন্দিন অভ্যাসে পরিবর্তন এনে ফিট থাকতে পারেন। যেমন- সামান্য রাস্তা হেঁটে পাড়ি দিন। কাজের ফাঁকে পাঁচ মিনিটের জন্যে হেঁটে আসুন ইত্যাদি। ২. পানি পান : যা করা উচিত : ইউরোপিয়ান ফুড সেফটি অথোরিটি জানায়, প্...

অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা করছেন?

Image
সচেতনতা অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা করছেন? অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা শরীর ও মনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।  কোনো একটি সামান্য বিষয় নিয়েই বিভিন্ন চিন্তা মাথায় চলে আসে? হয়তো আগামীকাল আপনার পরীক্ষা কিংবা অফিসের প্রেজেন্টেশন, এই চিন্তায় রাতের ঘুম নষ্ট হয়ে গেল! অনেকেই আছেন, যাঁরা সামান্য বিষয় নিয়েই দুশ্চিন্তা করেন। যা হওয়ার নয়, সেটাও আপনি ভেবে বসে থাকলেন নিজের মধ্যে। নিজেই আপনার মন ও শরীরের ক্ষতি করছেন। অতিরিক্ত দুশ্চিন্তার যত কুফল ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের কাউন্সেলর মরিয়ম সুলতানা বলেন, কিশোর বয়স থেকে এই সমস্যা দেখা দেয় কারও কারও মধ্যে। বয়ঃসন্ধিকালের বিভিন্ন বিষয় যেমন, পরিবেশ কিংবা পারিবারিক রীতিনীতি সবকিছু মিলিয়ে দেখা দিতে পারে। পরিবার থেকেও এটা হতে পারে। পরিবেশ কিংবা পরিবার যেভাবেই হোক না কেন, এর থেকে বেরিয়ে আসতে হবে নিজেকেই। কেননা, অতিরিক্ত দুশ্চিন্তার রয়েছে নানা বিপত্তি। ১. আত্মবিশ্বাস কমিয়ে ফেলা কথায় আছে, ‘বিশ্বাসে মেলায় বস্তু’। আর আপনি যদি শুরুতেই ধরে নেন আপনার দ্বারা হবে না, তাহলে মানসিকভাবেই এটি আপনা...

যে উপায়ে হতাশা কাটাবেন

Image
যে উপায়ে হতাশা কাটাবেন জীবনে এগিয়ে যাওয়ার জন্য নিজেকে উৎসাহ দিতে শিখুন।  অবসাদ তৈরি হয় আমাদের দুশ্চিন্তা, হতাশা আর অসন্তোষ থেকে। চাপ থেকে হতাশা তৈরির সুযোগ থাকে। চাপ মোকাবিলার জন্য নিজেকে সব সময় প্রস্তুত রাখতে হবে। বিপণন ব্যবস্থাপনা বিশেষজ্ঞ সুরাইয়া সিদ্দিকা কর্মক্ষেত্রে হতাশা কাটানোর জন্য কয়েকটি উপায় জানাচ্ছেন। ১. হতাশা অনুভব করুন! হতাশাকে এড়িয়ে চলার চেষ্টা করি। এই এড়িয়ে চলা বা পালানোর চেষ্টাতেই আরও বেশি হতাশ হয়ে পড়ি। অফিসে হয়তো কাজ ভালো হচ্ছে না কিংবা বসের বকুনির মাত্রা বেশ বেড়ে গেছে—এমন হতাশা এড়ানোর জন্য অভিজ্ঞদের পরামর্শ নিতে পারেন। হতাশাকে মোকাবিলা করুন। পালিয়ে হতাশা থেকে মুক্তি নেই কিন্তু। ২. আপনি কোথায় যাচ্ছেন জানেন তো? আমরা খুব বেশি হতাশ হয়ে পড়ি যখন বুঝিই না আমরা কী করছি। আপনি যা অর্জন করতে চাচ্ছেন তা কি আপনি নিজে জানেন? একজন বৈমানিক যদি তাঁর গন্তব্যস্থল না জানেন তাহলে কি তিনি গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবেন? আপনার লক্ষ্য-গন্তব্য প্রথমে জানুন, তারপর সেই দিকে কাজ করুন। ৩. গোছানো কাজ করুন সব সময় চেষ্টা করুন গুছিয়ে কাজ করত...

রাত জাগায় বাড়ে অকালমৃত্যুর আশঙ্কা

Image
অকালমৃত্যুর কারণ হতে পারে নিশাচর জীবনযাপন বা রাত জাগার অভ্যাস। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব ব্যক্তির নিশাচর জীবনযাপনের অভ্যাস রয়েছে, তাদের মধ্যে তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়াদের তুলনায় তাড়াতাড়ি প্রাণ হারানোর আশঙ্কা অনেক বেশি। যুক্তরাজ্যভিত্তিক নর্থওয়েস্টার্ন মেডিসিন এবং ইউনিভার্সিটি অব সারের এক যৌথ গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে। খবর সায়েন্স ডেইলি। যুক্তরাজ্যে বায়োব্যাংক সমীক্ষার আওতাধীন প্রায় পাঁচ লাখ মানুষের ওপর গবেষণা চালিয়ে এ তথ্য পাওয়া গেছে। এতে উঠে আসে, যারা রাতে দ্রুত ঘুমিয়ে পড়েন ও ভোরবেলায় ওঠেন; তাদের তুলনায় নিশাচর ব্যক্তিদের অকালমৃত্যুর ঝুঁকি ১০ শতাংশ বেশি। রাত জাগার কুফল নিয়ে আগেও বেশকিছু গবেষণা প্রকাশ হয়েছে। তবে সেগুলোর লক্ষ্য ছিল মূলত হজমশক্তির গোলমাল ও হূদরোগের সঙ্গে রাত জাগার অভ্যাসের সংযোগ স্থাপন। কিন্তু রাত জাগার সঙ্গে মৃত্যুঝুঁকির সম্পর্ক নিয়ে এটিই প্রথম গবেষণা। এতে উঠে আসা ফল গত সপ্তাহেই নিবন্ধ আকারে ক্রোনোবায়োলজি ইন্টারন্যাশনাল জার্নালে প্রকাশ হয়েছে। এ বিষয়ে ইউনিভার্সিটি অব সারের ক্রোনোবায়োলজির অধ্যাপক ম্যালকম ফন শ্যান্টজ বলেন, ‘জনস্বাস্থ্যের ...

সফল হওয়ার ৭টি উপায়

Image
সফল হওয়ার ৭টি উপায় সাফল্য যেন সোনার হরিণ কিংবা রাতের শেষ রেলগাড়িটা। সবাই ছুটছে তার দিকে। সবার মনে প্রশ্ন, হরিণের দেখা মিলবে কবে কিংবা রেলগাড়িটা কি ধরতে পারব? কেউ সাফল্যের জন্য বছরের পর বছর চেষ্টা করে যান, কেউবা মাঠে নেমেই গোল দেন। আবার কেউ সাফল্যের জন্য পরিশ্রম না করে একঘেয়ে জীবনের ঘানি টানেন। সাফল্য বিষয়টিকে আকাশে ঘুড়ি ওড়ানোর সঙ্গে মেলানো যায়। ঘুড়িকে যত ওপরে ওড়ানোর চেষ্টা করবেন ততই আপনাকে বাতাসের বিরুদ্ধে সুতায় টান দিতে হবে। বাতাসের সঙ্গে তাল মেলালেই ভজকট, ঘুড়ি নিচে নামতে শুরু করবে। মার্কিন লেখক, বিনিয়োগকারী ও উদ্যোক্তা জেমস অ্যালটুচ্যার কোরা ডাইজেস্টে তাঁর পোস্টে সফল হওয়ার সাতটি উপায় নিয়ে বলেছেন। স্বাস্থ্যকে গুরুত্ব দিতে হবে শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য দুটোই গুরুত্বপূর্ণ। স্বাস্থ্যের সঙ্গে কিন্তু আমাদের অভ্যাসগুলো জড়িত। খুব সহজে বদভ্যাসে জড়িয়ে পড়া যায়, সুঅভ্যাসের জন্য সময় দিতে হয়। সাফল্যের জন্য শরীরের যত্ন নিতে হবে, নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে। বুদ্ধিবৃত্তিক বিষয়ে জোর আনতে হবে। সৃজনশীলতার বিকাশে ...

ব্যায়াম ----- যোগব্যায়ামে মুখশ্রী

Image
যোগব্যায়ামে মুখশ্রী     প্রতিদিনের ব্যস্ততা, দৌড়ঝাঁপ, দূষণ কোনো না কোনোভাবে প্রভাব ফেলে দেয় চেহারার ওপরে। ক্লান্তি, বলিরেখা সেটারই ফল। ক্রিম, মেকআপ দিয়ে সাময়িক উজ্জ্বলতা নিয়ে আসা যায়। কিন্তু ত্বকের ভেতর থেকে উজ্জ্বলতা বের করে আনতে কিছুটা কাঠখড় পোড়াতে হবে। যোগব্যায়াম করতে হবে, এমনটাই মত বিশেষজ্ঞদের। কিছু কিছু আসন রয়েছে যা মাথাব্যথা, চাপ বা ধকল ও দুশ্চিন্তা দূর করে শরীরে এনে দেয় প্রশান্তির ছোঁয়া। এতে চেহারার ক্লান্তি ভাব কেটে যায় এবং চেহারা হয়ে ওঠে তারুণ্যোজ্জ্বল। ইয়োগানিকার প্রশিক্ষক আনিকা রাব্বানির কাছ থেকে জানা গেল তেমনই মুখের কিছু যোগব্যায়ামের কথা।যেসব যোগব্যায়ামের বর্ণনা থাকছে, সেগুলো চর্চা করার সময় গভীর নিশ্বাস নিতে হবে। একই সঙ্গে শরীর এবং মাংসপেশি আরামে রাখতে হবে। এটি বলিরেখা দূর করার জন্য বেশ কার্যকর। এ ছাড়া চোখকে সতেজ ও তরুণ রাখে। ঘরের ছাদের দিকে চোখ রেখে এক মিনিটের জন্য এভাবে...