Posts

Showing posts from June, 2018

১৫৫ কেজি ওজন কমিয়েছেন আদনান সামি! বিনোদন ডেস্ক

Image
১৫৫ কেজি ওজন কমিয়েছেন আদনান সামি! বিনোদন ডেস্ক ২১ জুন ২০১৮, ২১:১৯ আপডেট: ২১ জুন ২০১৮, ২১:৩৯     আদনান সামি ‘মুঝকো ভি তো লিফট কারা দে’ গানের কথা মনে আছে নিশ্চয়ই? এই গান দিয়েই বলিউডে আগমন হয় নাদুসনুদুস এক তরুণের। নাম তাঁর আদনান সামি। ২০০০ সালের দিকে মুক্তি পাওয়া সেই গান দারুণ জনপ্রিয়তা পায়। এরপর একে একে আসে তাঁর ‘ভিগি ভিগি রাতো মে’, ‘তেরা চেহরা’, ‘উড়ি উড়ি’, ‘কাভি নেহি’, ‘শুন জারা’সহ অসংখ্য জনপ্রিয় গান। কিন্তু পাঁচ-ছয় বছর পর এই জনপ্রিয়তার তুঙ্গে থাকতেই হঠাৎ উধাও হয়ে যান আদনান সামি। অনেক দিন এই পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত তারকা গণমাধ্যম থেকে দূরে ছিলেন। আর দূরে থাকার কারণ ছিল তাঁর অতিরিক্ত ওজন। আদনান সামি ওই সময় ছিলেন ২০০ কেজি। অতিরিক্ত ওজনের কারণে অনেকেই তাঁকে ব্যঙ্গ করতেন। আর ক্যামেরায়ও ভালো দেখাত না। এমনকি সাবেক স্ত্রী তাঁকে ছেড়ে যাওয়ার কারণ...

গেমিংয়ের নেশা ‘মানসিক রোগ’

Image
  কম্পিউটার, স্মার্টফোন বা এ জাতীয় যন্ত্রে গেম খেলার নেশাকে প্রথমবারের মতো ‘মানসিক রোগ’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করতে যাচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। আন্তর্জাতিক এ সংস্থাটির ১১তম ইন্টারন্যাশনাল ক্লাসিফিকেশন অব ডিজিজেসে (আইসিডি) এটিকে ‘গেমিং ডিস-অর্ডার’ হিসেবে উল্লেখ করা হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এসংক্রান্ত খসড়া দলিলে গেমিং আসক্তিকে বর্ণনা করা হয়েছে এমন আচরণ হিসেবে, যা জীবনের সব কিছুর আকর্ষণ থেকে একজনকে দূরে সরিয়ে নেয়। বিশ্বের কয়েকটি দেশে গেমিং আসক্তিকে ইতিমধ্যে একটি প্রধান জনস্বাস্থ্য সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। যুক্তরাজ্যসহ কয়েকটি দেশে ইতিমধ্যে এর চিকিৎসার জন্য ‘প্রাইভেট অ্যাডিকশন ক্লিনিক’ পর্যন্ত রয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সর্বশেষ আইসিডি তৈরি করে ১৯৯২ সালে। নতুন গাইডলাইনটি প্রকাশ হবে এ বছরই। এ গাইডে বিভিন্ন রোগের কোড, লক্ষণ এবং উপসর্গ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য থাকে। চিকিৎসক এবং গবেষকরা এটির সঙ্গে মিলিয়ে রোগ নির্ণয়ের চেষ্টা করেন। গেমিং আসক্তিকে কখন মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা হিসেবে বর্ণনা করা হবে, এর বিস্তারিত থাকছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এ গাইডলাইনে। তাত...

বিয়ে করলে হৃদ্‌যন্ত্র ভালো থাকে, গবেষণায় প্রকাশ

Image
গবেষকেরা বলছেন, বিয়ে স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। বিশেষ করে বেশি বয়সে পাশে একজন সঙ্গী থাকলে সুস্থ থাকবে আপনার হৃদ্‌যন্ত্র, স্ট্রোকের আশঙ্কাও কমবে। প্রতীকী ছবি: রয়টার্স বিয়ে নিয়ে নানা মুনির আছে নানা মত। কেউ এই দিল্লি কা লাড্ডুর জন্য উন্মুখ হয়ে থাকেন, কেউ দূরে দূরে থাকতেই ভালোবাসেন। আবার বিয়ের পর মুখ বেজার করা লোকের সংখ্যাও নেহাত কম নয়। তবে গবেষকেরা বলছেন, বিয়ে স্বাস্থ্যের জন্য ভালো; বিশেষ করে বেশি বয়সে পাশে একজন সঙ্গী থাকলে সুস্থ থাকবে আপনার হৃদ্‌যন্ত্র—স্ট্রোকের আশঙ্কাও কমবে। বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে বলা হয়েছে, সম্প্রতি মেডিকেল জার্নাল হার্ট-এ গবেষণাটির ইতিবৃত্ত প্রকাশিত হয়েছে। গবেষণার জন্য মূলত ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা, মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়ায় দুই দশক ধরে জরিপ চালানো হয়। এতে অংশ নেন প্রায় ২০ লাখ মানুষ, যাঁদের বেশির ভাগেরই বয়স ৪২ থেকে ৭৭ বছর। গবেষণায় দেখা গেছে, সংসারী দম্পতির তুলনায় তালাকপ্রাপ্ত, বিধবা বা কখনোই বিয়ে করেননি—এমন ব্যক্তিদের হৃদ্‌রোগে ভোগার হার বেশি। বিয়ে না করা ব্যক্তিদের হৃদ্‌রোগে মৃত্যুর ...

রক্তকে বিষমুক্ত করতে খেতে হবে এই ৮টি খাবার

Image
 একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে পরিবেশ এবং খাবারে উপস্থিত নানাবিধ বিষাক্ত উপাদান সারা দিন ধরে প্রতিনিয়ত আমাদের শরীরে প্রবেশ করতে থাকে। আর যখন রক্তে এইসব বিষাক্ত উপাদানের মাত্রা বেড়ে যায়, তখন একের পর এক রোগ মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে। বিশেষত নানাবিধ ত্বকের রোগের প্রকোপ মারাত্মকভাবে বৃদ্ধি পায়। তাই তো রক্তকে সব সময় পরিষ্কার রাখাটা একান্ত প্রয়োজন। এখন প্রশ্ন হল রক্তে ক্ষতিকর উপদানের মাত্রা বৃদ্ধি পেলে কীভাবে বোঝা সম্ভব? এক্ষেত্রে প্রথমেই ব্রণর প্রকোপ মারাত্মকভাবে বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। সেই সঙ্গে সোরিয়াসিসের মতো রোগও মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে। তবে এখানেই শেষ নয়, রক্ত যেহেতু শরীরের প্রতিটি কোণায়, প্রতিটি অংশে পৌঁছে যায়, তাই রক্ত যদি বিশুদ্ধ না থাকে, তাহলে কিন্তু একে একে শরীরের বাকি অংশের উপরও তার প্রভাব পড়তে শুরু করে। ফলে আয়ু কমতে শুরু করে। তাই তো প্রতি মুহূর্তে সাবধান থাকাটা জরুরি! কিন্তু প্রয়োজনীয় সাবধানতা অবলম্বন করার পরেও যদি রক্তে বিষাক্ত উপাদানের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে, তাহলে কী করণীয়? সেক্ষেত্রে এই প্রবন্ধে আলোচিত ঘরোয়া চিকিৎসা পদ্ধতিগুলিকে কাজে লাগাতে হবে। ফলে রক্ত ময়লা ...

দিন যায় ভাবতে ভাবতে...

Image
      অতিরিক্ত চিন্তা না করে লক্ষ্য অর্জনে এগিয়ে যান। রেস্তোরাঁয় যাবেন বলে ঠিক করেছেন, কিন্তু সিদ্ধান্ত নিতে পারছেন না কী খাবেন। ভাবতে গেলেই মাথায় ঘুরপাক খেতে থাকে খাবারের দীর্ঘ তালিকা, আর চোখের সামনে ভেসে ওঠে রেস্তোরাঁকর্মীর বিরস মুখ। শুধু কি খাবারের বেলাতেই এমনটি হয়? এমন অনেকেই আছেন, সকালে গুরুত্বপূর্ণ কোনো বৈঠক। রাতভর তা নিয়ে ভাবছেন—মিটিংয়ে কী হবে, কীভাবে বলব, সঠিকভাবে উপস্থাপন করতে পারব তো, বস কী বলবে। এমন ভাবতে ভাবতেই রাত পার! শেষ বেলায় কাজটিই আর ভালোভাবে হয়ে ওঠে না। এই যেকোনো বিষয়ে অতিরিক্ত চিন্তা কিংবা ভবিষ্যতের বিষয়টি নিয়ে দ্বিধা-সংশয়ের মিশেলে সিদ্ধান্ত না নেওয়ার প্রবণতা, এটা কেন হয়? এককথায় উত্তর হতে পারে—মানুষের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের কারণে। ২০১৩ সালে প্রকাশিত যুক্তরাষ্ট্রের জার্নাল অব অ্যাবনরমাল সাইকোলজির একটি গবেষণা নিবন্ধ নিয়ে জনপ্রিয় সাময়িকী রিডার্স ডাইজেস্ট অনলাইন সংস্করণে বলেছে, এটা নানা কারণে হতে পারে। কেউ হয়তো খুঁতখুঁতে স্বভাবের মানুষ। প্রতিটি কাজে...

তোমার কি বন্ধু মন খারাপ?

Image
মন খারাপ হলে আনন্দময় কিছু করার চেষ্টা করুন।  বৃষ্টি হচ্ছে মন খারাপ। কিংবা আকাশে গাঢ় মেঘ। ভালো লাগছে না কিছুই। উল্টোও হয়। চারপাশে গুমোট ভাব। এক পশলা বৃষ্টি হলে ভালো লাগত বেশ। তাই মন খারাপ। এই মন খারাপের বিষয়টি প্রথম প্রথম বেশ রোমান্টিক। বন্ধু বা বান্ধবীর সঙ্গে দেখা নেই। কথা হচ্ছে না। কথা দিয়েও টিএসসিতে বা বটতলায় আসেনি, তাই মন খারাপ। মনের কষ্ট বিষণ্নতায় গড়ালে তখন তা ক্রমেই রূপ নেয় মনোরোগে। বিষণ্নতা কিন্তু মনের অসুখ। হেলাফেলার নয়। মানুষের মন বড়ই বিচিত্র। সে যা চায় তা পায় না আর যা পায় তা চায় না। আর তাই তার অবিশ্রান্ত ছুটে চলা। চলতে গেলে হোঁচট খেতে হয়। তারপর গা-ঝাড়া দিয়ে মানুষ উঠে দাঁড়ায়। টানাপোড়েন মনের ওপর কখনো কখনো প্রচণ্ড চাপের সৃষ্টি করে। সেই চাপের মোকাবিলা করতে না পারলে মন খারাপ হয়। কখনো তীব্রতা বেড়ে গিয়ে মানুষ মানসিক বিপর্যয়ে ভোগে। বিষণ্নতায় আক্রান্ত হয়, আত্মহত্যা করে বসে। মন খারাপ কেন হয়? মানুষের মস্তিষ্ক মন নিয়ন্ত্রণ করে। তাই মস্তিষ্কের নিউরোট্রান্সমিটার যেমন সিরোটনিন ডোপামিন নরএড্রেনালিন গাবা গ্লুটামেটের মাত্রার ব্যতিক্রম হলে মনের স...