Posts

Showing posts from March, 2018

কাঁচা আমের জুসের ৫ গুণ

Image
কাঁচা আম গরমে কাঁচা আমের এক গ্লাস শরবত সারা শরীরে এনে দিতে পারে প্রশান্তি। বাজারে এখন কাঁচা আম পাবেন। পুষ্টিবিদেরা বলেন, কাঁচা আমের জুস শরীরের জন্য ভালো। কাঁচা আম বা আমের রসে পটাশিয়াম থাকায় প্রচণ্ড গরমে তা শরীর ঠান্ডা রাখতে সহায়তা করে। কাঁচা আমের জুসের কয়েকটি গুণের কথা জেনে নিন: শরীরে লবণের ঘাটতি দূর করে গরমে অতিরিক্ত ঘামে শরীর থেকে সোডিয়াম ক্লোরাইড ও লৌহ বের হয়ে যায়। কাঁচা আমের জুস শরীরের এই ঘাটতি দূর করে। যাঁরা ওজন কমাতে বা শরীরের বাড়তি ক্যালরি খরচ করতে চান, তাঁদের জন্য এখন আদর্শ ফল কাঁচা আম। পেট ভালো রাখে গরমে পেটের গোলমাল? এক গ্লাস আমের জুস দারুণ কাজে লাগতে পারে। খাদ্য হজমে সহায়তা করে কাঁচা আম। অন্ত্রকে পরিষ্কার করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি দেয় কাঁচা আম। শরীর ঠান্ডা থাকে কাঁচা আমে পটাশিয়াম থাকার কারণে তা শরীরকে ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে৷ এ কারণে শরীরে ঘাম কম হয়। গরমে ক্লান্তিও দূর হয়৷ দুপুরে খাওয়ার পর এই গরমে কিছুটা ঝিমুনি ভাব দেখা দিতে পারে। কাঁচা আমে আছে প্রচুর শক্তি। দুপুরের খাওয়ার পরে কয়েক টুকরা কাঁচা আম খেলে ঝিমুনি দূর হয়। হৃদ্‌যন্ত্র...

হেঁটে ওজন কমান

Image
নিয়মিত হাঁটলে ওজন নিয়ন্ত্রণ সম্ভব। অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন আর স্বাভাবিক ব্যায়ামের অভাবে ওজন বাড়ছে খুব দ্রুত। চাইলেও নিয়ম মেনে ওজন কমানোর জন্য কাজগুলো করা যাচ্ছে না। তা ছাড়া দীর্ঘদিন একই ধরনের ব্যায়ামে চলে আসে বিরক্তি। বিখ্যাত হেলথ ম্যাগাজিন এসব সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে দিয়েছে স্টেপ ডায়েটের টিপস, যেখানে হেঁটে আপনি কমিয়ে ফেলতে পারবেন বাড়তি ওজন। অনেকে অভিযোগ করেন ব্যায়াম তো করছেন। সঙ্গে খাবারেও এনেছেন পরিবর্তন, তবে সেটা কত দিন চলবে বা কীভাবে, তা বুঝে উঠতে পারছেন না। সে ক্ষেত্রে স্টেপ ডায়েটে আপনাকে নিতে হবে ১২ সপ্তাহ বা ৩ মাসের প্রকল্প। শুরুতে প্রতিদিন দুই হাজার ধাপ হাঁটতে হবে, যাতে সময় লাগবে ১৫ থেকে ২০ মিনিট। খুব জোরে হাঁটা নয়, আবার খুব আস্তেও নয়। হাঁটতে হবে স্বাভাবিক গতিতে। মজার ব্যাপার হচ্ছে, এই প্রকল্পের ডায়েট। এটা-সেটা বেছে খেতে হবে না। বরং প্রতিদিন আপনি যা খাচ্ছেন বা যে খাবারটা স্বাভাবিক তার থেকে মাত্র ২৫ শতাংশ কম খেলেই হবে। ফল, পানি, চিনি ছাড়া কফি, ডেইরি খাবার, দুধ সব খেতে পারবেন অনেকটা ইচ্ছামতো। তবে ২৫ শতাংশ যেহেতু কমাতে হবে স্বাভাবিকভাবেই ছাড়তে হবে অতিরিক্ত...

ঘুমের রাজ্য তৈরি করবেন যেভাবে

Image
    সুনিদ্রা শরীর ও মন, দুটোর জন্যই ভালো। মডেল: আইরিন, ছবি: অধুনা চোখ বন্ধ করলেই কি ঘুম আসে? এতই সহজ কি গাঢ় ঘুমের সমীকরণ! ঘুমের প্রভাব আমাদের দৈনন্দিন কাজের ওপর পড়ে। আপনার যদি ভালো ঘুম না হয়, তাহলে তার প্রভাব যেমনটা শরীরের ওপর পড়বে, তেমনি কর্মক্ষেত্রে উদ্দীপনা ও কাজের ওপরও পড়বে। আমরা সাধারণত কতটা সময় ঘুমিয়েছি, তার দিকেই বেশি খেয়াল রাখি। কেউ ৮ ঘণ্টা, কেউবা ৪ বা ৫ ঘণ্টা ঘুমাই প্রতিদিন, আসলে কত ভালো ঘুম দিই আমরা, সে প্রশ্ন কি কখনো ভেবেছেন? দিনে ১০-১১ ঘণ্টা যেনতেন ঘুমের চেয়ে ৮ ঘণ্টার নিগূঢ় ঘুম উদ্দীপনা বাড়িয়ে দেয়। কর্মক্ষেত্রের কাজের মান ও উদ্দীপনা বাড়িয়ে তোলার জন্য ঘুমকে দারুণ একটি ব্যায়াম বলে মনে করেন অনেকেই। সব বয়সের মানুষের কাজে উদ্দীপনা আনতে ভালো ঘুমের বিকল্প নেই বলে মনে করেন তিনি। আলোচিত জার্মান লাইফ কোচ কিলিয়েন মারকেরেট দারুণ ঘুমের জন্য বেশ কিছু পরামর্শ দিয়েছেন তাঁর লিংকড–ইন পোস্টে। সেই পরামর্শে আপনার ঘুমকে রাঙাতে পারেন আজ রাত থেকেই। ঘুমের পরিবেশ তৈরি করুন আপনি কোথায় ঘুমাচ্ছেন, তার ওপর নির্ভর করছে ঘুম কতটা ভালো হবে। তরুণেরা সাধারণত স...

মনের জোর বাড়াবেন যেভাবে

Image
মনের জোর বাড়াবেন যেভাবে বাধা পেরোতে চাই মনের জোর। ছবি: অধুনা ব্যস্ততা, দুশ্চিন্তা, হতাশা, আক্ষেপসহ নানা কারণে মনের জোর কমে যায়। মনের দুর্বলতা প্রকাশ পায় আমাদের দৈনন্দিন কাজে। মনের দ্বিধার কারণে সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগি আমরা। মনের জোর বাড়াতে পারলে অনেক সাধারণ সমস্যা সহজেই কাটানো যায়। মানসিকভাবে নিজেকে শক্ত করে গড়ে তোলা সত্যিকার অর্থে বেশ কঠিন শ্রমের কাজ। মনকে কি আর সহজেই নিয়ন্ত্রণ করা যায়? ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের অধ্যাপক রিদওয়ানুল হক বলেন, মনের জোরে চলতে পারি বলেই আমরা মানুষ। যেকোনো সমস্যার সমাধান থেকে শুরু করে ইতিবাচক জীবনযাপনে মনের বিকাশ বেশ গুরুত্বপূর্ণ। আপনার আর্থিক ক্ষমতা কিংবা জোর যা-ই থাকুক না কেন, সতেজ মন থাকলে আপনার জীবন সব সময় রঙিন। প্রাত্যহিক জীবনে মনের জোর বাড়ানোর জন্য ব্যবসা-মনস্তত্ত্ব বিশেষজ্ঞ রিদওয়ানুল হক ১০টি নিয়ম অনুসরণ করার পরামর্শ দেন। এখনই কাজ করার মানসিকতা গড়ে তুলুন আপনার বসকে পদোন্নতির কথা বলেও বলতে পারছেন না? এখনই বলে ফেলুন। প্রতিষ্ঠানের কোনো গ্রাহককে আপনার না বলতে হবে, না বলা নিয়ে দ্বিধায় আছেন। বলে ফেলুন। আপনার য...

যে ১১ উপায়ে কর্মক্ষেত্রে আত্মপ্রত্যয়ী হবেন

Image
যে ১১ উপায়ে কর্মক্ষেত্রে আত্মপ্রত্যয়ী হবেন অফিসের ছোট ছোট কাজ এগিয়ে রাখলে চাপ কমবে, আত্মবিশ্বাস বাড়বে। মডেল: তাসনুভা, ছবি: অধুনা ঘড়ির কাঁটা ধরে অফিস করতে করতে আমরা ক্লান্ত হয়ে যাই। একই কাজ প্রতিদিন করতে করতে একঘেয়েমি বোধ করি। রোববার থেকে বৃহস্পতিবার—কাজ আর কাজের মধ্যে হাবুডুবু খেয়ে বেশ নিরস জীবন তৈরি হয়। নৈরাশ্য ভর করে আমাদের মননের ওপর। যার প্রভাব পড়ে কাজের মান ও প্রকৃতির ওপর। মনের জোর কি সপ্তাহের সব দিন একই রঙের থাকে? সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক কনজ্যুমার প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল প্রোডাক্টসের যোগাযোগ প্রধান সুরাইয়া সিদ্দিকা কর্মক্ষেত্রের জন্য নিজেকে আত্মপ্রত্যয়ী হিসেবে গড়ে তুলতে পারলে দারুণ কাজ করা যায়। তিনি বলেন, কর্মক্ষেত্রে কাজে চাপ থাকবেই। যে যত চাপ নিয়ে ভালো কাজ করতে পারেন তিনিই আত্মপ্রত্যয়ী। নিজেকে যদি আপনি গুছিয়ে সামনে এগিয়ে নিতে পারেন, তাহলে যত বড় কাজই হোক না কেন আপনি স্বাচ্ছন্দ্যে করতে পারবেন। যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ সুরাইয়া সিদ্দিকা কর্মক্ষেত্রে আত্মপ্রত্যয়ী হয়ে ওঠার কয়েকটি পরামর্শ দিচ্ছেন। ছোট ছোট কাজ আগে করে ফেলুন দিনের শুরুতেই অফিসে পা রেখেই ছোট কাজগু...

ক্ষমা করুন নিজেকেও

Image
ক্ষমা করুন নিজেকেও নিজেকে ভালোবাসুন নিজেকে ক্ষমা করুন।    এমনকি কখনো হয়, যখন কিছু পরিস্থিতিতে আমাদের নিজেদেরই ক্ষমা করতে হয়? কথায় বলে, ‘মানুষ বেঁচে থাকলে বদলায়’। হ্যাঁ, প্রতিনিয়তই আমরা এই পরিবর্তনের মধ্যে দিয়ে যাই। তাই কিছুদিন আগেও যে আচরণ আপনার কাছে স্বাভাবিক মনে হতো, ঠিক সেটিই এখন আপনার কাছে ‘অপরাধ’ মনে হয়! আর নিজের মনের মধ্যে শুরু হয়ে যায় একটি দ্বন্দ্ব, যেখানে হয়তো অনেক সময় ভুল শোধরানো বা ক্ষমা চাওয়ার সময়টাও থাকে না। আর এমন পরিস্থিতিতে নিজেই নিজের বন্ধু হিসেবে ভূমিকা পালন করুন। সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিন নিজের প্রতিই। বুঝতে শিখুন নিজেকেও ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের কাউন্সেলর অ্যানি বাড়ৈ বলেন, ‘কোনো মানুষই চিরদিন একরকম থাকে না। এটাকে আপনি ইতিবাচকভাবেই দেখতে পারেন। বয়স, পরিবেশ আর সময়ের সঙ্গে পরিবর্তন দেখা দেয় মানুষের মাঝেও। নিশ্চয়ই আপনি স্কুলে যেমন আচরণ করতেন, বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে তেমন করবেন না। কেননা আপনি নিজে থেকেই বুঝতে শিখবেন কোনটি ঠিক।’ এমনও হতে পারে, আপনার শেখার গতি একটু মন্থর বা কিছু বিশেষ ক্ষেত্রে আপনি এখনো আচরণ করেন সেই কৈশোরের মত...

শোয়ার আয়োজন

Image
শোয়ার আয়োজন     শান্তির নীড়ে শোয়ার আয়োজনে মনের ভুলেই হয়তো অস্বস্তি ডেকে আনি আমরা। রোজকার জীবনধারার স্বাভাবিক নিয়মে শোয়ার সময়ের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো এড়িয়ে যাই। শুয়ে পড়লেই হলো। টনক নড়ে বড় রকমের বিপত্তি বাধলে। বিছানা-বালিশের সমস্যার কারণে ঘাড়ে-পিঠে ব্যথা হওয়াটা অস্বাভাবিক নয়। বিছানা খুব নরম হলে পিঠের ব্যথায় ভুগতে পারেন। আবার খুব শক্ত বিছানায় ঘুমিয়ে স্বস্তিও পাবেন না। তাই মোটামুটি শক্ত ধরনের বিছানায় শোয়া ভালো। বিছানা বেশি নরম মনে হলে কয়েক দিনের জন্য বিছানার নিচে শক্ত কাঠের পাত রেখে দিতে পারেন কিংবা জাজিম মেঝেতে বিছিয়ে ঘুমাতে পারেন। যদি স্বস্তি অনুভব করেন, তাহলে এটার চেয়ে একটু শক্ত বিছানা তৈরি করে নিন। একাধিক বালিশ ব্যবহার করা ভালো নয়। মাঝারি উচ্চতার একটি বালিশ ব্যবহার করুন। বালিশ অতিরিক্ত শক্ত বানানো ঠিক নয়। বিশেষ করে যাঁরা ঘাড়ের ব্যথায় ভুগছেন, তাঁরা অবশ্যই নরম বালিশ ব্যবহার করুন। বেশি দেবে যাওয়া নরম বালিশ পরিবর্তন করে নিন। সোজাভাবে শোবেন। যাঁদের নাক ডাকার সমস্যা রয়েছে, তাঁরা কাত হয়ে শোয়ার অভ্যাস করলে কিছু উপকার পাবেন। শোয়ার ঘণ্টাখানেক...

বাড়িতেই হাতের ব্যায়াম

Image
ব্যায়াম   শারীরিক গঠনের তুলনায় হাত মোটা। এমনটা অনেকেরই শুনতে হয়। বাড়িতে নিয়মিত সহজ কিছু ব্যায়াম করে হাতের গঠন ঠিক রাখা যায়। দরকার শুধু নিয়মিত ব্যায়াম করার ইচ্ছা। হাতের বাইশেপ ও ট্রাইশেপের গঠন সুন্দর করা ও থলথলে ভাব দূর করার ব্যায়ামগুলো দেখিয়েছেন পারসোনা হেলথ কেয়ারের প্রধান প্রশিক্ষক ফারজানা খানম ।   আর্ম চপস  বাইসেপ, ট্রাইসেপের গঠন সুন্দর হবে।  পা কাঁধবরাবর ফাঁক করে দাঁড়াতে হবে।  দুই হাত নাকবরাবর সোজা করে তুলে ধরুন।  দুই মিনিট ধরে ওপর-নিচে দুই হাত ওঠানামা করবে।  হাত ওঠানামা করতে হবে এক থেকে দেড় ফুটের মধ্যে।    ক্রিস ক্রস টোনার  দুই পা কাঁধবরাবর ফাঁক করে দাঁড়ান।  হাত দুটো দুপাশে নিন।  দুই হাত একে ওপরকে পার করবে। ডান হাত একবার বাম হাতের ওপর দিয়ে যাবে। বাম হাত একবার ডান হাতের ওপর দিয়ে যাবে। এভাবে দুই মিনিট ব্যায়ামটি করতে হবে।   ভেতরে-বাইরে  দুই হাত নাকবরাবর থাকবে হাত দুটোকে ভাঁজ করে বুকবরাবর নিয়ে আসতে হবে।  এবার দুই হাত দুই পাশে নিয়ে যান।  আবার দুই হাত নাকব...

ডায়রিয়ায় কী ওষুধ খাবেন?

Image
ডায়রিয়ায় কী ওষুধ খাবেন?     হঠাৎ ডায়রিয়া বা পাতলা পায়খানা হলে অনেকে এটি থামাতে নানা ধরনের ওষুধ খেতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। আসলে বেশির ভাগ ডায়রিয়ায় কোনো ওষুধ খাওয়ার প্রয়োজন নেই। কেবল যে পানি ও লবণ শরীর থেকে বেরিয়ে যায়, সেটা খাওয়ার স্যালাইন দিয়ে পূরণ করলেই চলবে। বেশির ভাগ ডায়রিয়া নিজে থেকেই সেরে যায়। তবে বাজারে ডায়রিয়া বন্ধ করার কিছু ওষুধ প্রচলিত আছে। দোকানে গেলে দোকানি এগুলো ধরিয়ে দেন। অনেকে শুনে শুনে খান। যেমন লপেরামাইড, কোডিন-জাতীয় ওষুধ। অনেকে আবার সিপ্রোফ্লক্সাসিন বা অ্যাজিথ্রোমাইসিন ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক খেয়ে ফেলেন। ফ্লাজিল বা মেট্রোনিডাজলও খুব প্রচলিত। কিন্তু মনে রাখবেন, প্রয়োজন ছাড়া এগুলো খাওয়া ঠিক নয়। লপেরামাইড হলো অ্যান্টিমটিলিটি ওষুধ। মানে এটি খেলে অন্ত্রের চলন কমে যায়, ফলে বারবার টয়লেটে যাওয়ার প্রবণতা কমে। কিন্তু এটি ডায়রিয়া সারাতে সাহায্য করে এমন কোনো প্রমাণ নেই। বরং কোনো কোনো ক্ষেত্রে এ ধরনের ওষুধ খাওয়া বারণ। যেমন ১২ বছর বয়সের নিচে শিশুর যদি ডায়রিয়ার সঙ্গে জ্বর বা পেট কামড়ানো থাকে, পেট ফুলে যাওয়া বা আলসারেটিভ কোলাইটিস-জাতীয় রোগে। এ ছ...

রুটিন চেকআপ কি জরুরি?

Image
রুটিন চেকআপ কি জরুরি? বাড়ির কর্তা অনেক সময় অফিস থেকেই হোক, কি নিজ উদ্যোগে, নিজের স্বাস্থ্যের রুটিন চেকআপ করিয়ে নেন। কিন্তু বাড়ির নারী সদস্যটি অনেক সময় থাকেন অন্ধকারে। বছর বছর কোনো রুটিন পরীক্ষা-নিরীক্ষা তাঁর করা হয়ে ওঠে না। অন্তত বয়স বেড়ে শরীর খারাপ লাগার আগ পর্যন্ত তো নয়ই। তার মানে কি নারীদের রুটিন চেকআপের প্রয়োজন নেই? তা নয়। পুরুষদের মতো নারীদেরও উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, হৃদ্রোগ, স্ট্রোক ইত্যাদি রোগের ঝুঁকি আছে। বরং নারীরা এর বাইরে আরও কিছু রোগের ঝুঁকিতে থাকেন, যেখানে রুটিন পরীক্ষার ভূমিকা আছে। যেমন স্তন ক্যানসার, জরায়ু বা জরায়ুমুখের ক্যানসার। আবার কিছু রোগ আছে যা নারীদের বেশি হয়। যেমন-থাইরয়েডের সমস্যা বা নানা ধরনের বাত। তাই নারীদেরও রুটিন পরীক্ষার দরকার আছে। এখন জেনে নিন কী হতে পারে আপনার এই সব রুটিন পরীক্ষা। * পূর্ণবয়স্ক নারীদের বছরে অন্তত একবার রক্তচাপ মাপা উচিত। ২০ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে রক্তে শর্করা বা চর্বি পরীক্ষা শুরু করা উচিত। যদি আপনি ওজনাধিক্য বা স্থূলতায় ভোগেন, পরিবারে ডায়াবেটিস বা হৃদ্রোগের ইতিহাস থাকে, তবে অল্প বয়সেই শুরু করতে হবে। আর গর্ভাবস্থায়...

মনের জোর বাড়াবেন যেভাবে

Image
বাধা পেরোতে চাই মনের জোর। অধুনা ব্যস্ততা, দুশ্চিন্তা, হতাশা, আক্ষেপসহ নানা কারণে মনের জোর কমে যায়। মনের দুর্বলতা প্রকাশ পায় আমাদের দৈনন্দিন কাজে। মনের দ্বিধার কারণে সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগি আমরা। মনের জোর বাড়াতে পারলে অনেক সাধারণ সমস্যা সহজেই কাটানো যায়। মানসিকভাবে নিজেকে শক্ত করে গড়ে তোলা সত্যিকার অর্থে বেশ কঠিন শ্রমের কাজ। মনকে কি আর সহজেই নিয়ন্ত্রণ করা যায়? ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের অধ্যাপক রিদওয়ানুল হক বলেন, মনের জোরে চলতে পারি বলেই আমরা মানুষ। যেকোনো সমস্যার সমাধান থেকে শুরু করে ইতিবাচক জীবনযাপনে মনের বিকাশ বেশ গুরুত্বপূর্ণ। আপনার আর্থিক ক্ষমতা কিংবা জোর যা-ই থাকুক না কেন, সতেজ মন থাকলে আপনার জীবন সব সময় রঙিন। প্রাত্যহিক জীবনে মনের জোর বাড়ানোর জন্য ব্যবসা-মনস্তত্ত্ব বিশেষজ্ঞ রিদওয়ানুল হক ১০টি নিয়ম অনুসরণ করার পরামর্শ দেন। এখনই কাজ করার মানসিকতা গড়ে তুলুন আপনার বসকে পদোন্নতির কথা বলেও বলতে পারছেন না? এখনই বলে ফেলুন। প্রতিষ্ঠানের কোনো গ্রাহককে আপনার না বলতে হবে, না বলা নিয়ে দ্বিধায় আছেন। বলে ফেলুন। আপনার যখন কিছুর প্রয়োজন হবে, তার গুরুত্ব বুঝে করে...

অলসতা এড়াবেন যে ৮ উপায়ে

Image
মন প্রফুল্ল থাকলে অলসতা ভর করে না। ছবি: অধুনা প্রতিদিন একই কাজ করতে আমরা অভ্যস্ত। সেই সাতসকালে অফিসে যাওয়া আর সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরে আর কি কিছু করতে ইচ্ছে করে? গড়িমসি করতে করতে ব্যাংকে টাকা জমা দিতে শেষ দিন পার হয়ে যায়। আবার আজ চিকিৎসকের কাছে যাব কি যাব না, ভাবতে ভাবতে দিনই পার হয়ে যায়। কখনো কখনো কোনো কাজ করব করব বলে আলস্যের কারণে আর করা হয়ে ওঠে না। শহুরে বাস্তবতা আর ব্যস্ততায় আলস্যের কারণে করি-করব বলে অনেক কাজই করতে পারি না, এককথায় আসলে করা হয়ে ওঠে না। এমনটা অভ্যাসই হয়ে উঠেছে। সেই আলস্য এড়াবেন কীভাবে? মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনাবিষয়ক বিশেষজ্ঞ এস এম আরিফুজ্জামান কর্মজীবন ও ব্যক্তিজীবনে অলসতা এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, আমরা আসলে অলস নই, আমরা অনুপ্রাণিত নই বলেই আলস্য আমাদের ওপর ভর করে। প্রতিদিন একই কাজ করতে করতে নিস্তেজ হয়ে যাই। জীবনে সজীবতা নেই বলে আমরা পেশাজীবনে যেমন আলস্য দেখাই, তেমনি ব্যক্তিজীবনে হয়ে উঠেছে বর্ণহীন। আলস্য এড়ানোর কাজটি পরিপূর্ণভাবে আমাদের মন থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যায় বলে তিনি মনে করেন। এস এম আরিফুজ্জামান আলস্য এড়াতে বেশ কিছু পরামর্শ দিচ্ছেন।...

সুখী থাকার ১০টি সহজ উপায়

Image
নিজের জন্য থাক না কিছুটা সময়! ছবি: অধুনা সুখী কে না হতে চায়? আমরা প্রত্যেকেই যে যার মতো সুখে থাকতে চাই। এর মূল চাবিকাঠি রয়েছে নিজের হাতেই। প্রতিদিনের চলার পথ যত বন্ধুরই হোক না কেন, নিজেই পথটা তৈরি করে নিতে পারেন। জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক মেখলা সরকার দিয়েছেন এই পরামর্শ। ১. নেতিবাচক চিন্তা আর নয় আগামীকাল পরীক্ষা আর আজ রাতে আপনার মনে ভিড় করল হাজারো দুশ্চিন্তা, যার অধিকাংশই নেতিবাচক। খুব সহজ ভাষায় এ ধরনের চিন্তা থেকে নিজেকে দূরে রাখুন। শুধু এমন চিন্তাই নয়, নেতিবাচক মানুষ এবং আলোচনা থেকেও সরে আসুন। কেননা, আপনার পরিধি নিজেই বুঝবেন, অন্যের কথায় সহজেই প্রভাবিত হওয়ার কিছু নেই। ২. নিজেকে অন্যের সঙ্গে তুলনা না করা ‘ওর ওটা আছে, আমার নেই কেন’—এ ধরনের চিন্তা আপনার নিজ মানসিক শক্তিকেই কমিয়ে দেয়। এমনকি দীর্ঘ মেয়াদে আপনার মধ্যে হতাশা কাজ করবে। তাই মনে রাখুন, সবার প্রতিভা এক নয়। কারও হয়তো পড়াশোনায় মেধা আছে, আবার কারও খেলাধুলায়। তাই চেষ্টা করুন নিজের প্রতিভাকে বিকশিত করার। ৩. ইতিবাচক থাকুন আপনি কাজটা যেভাবে করবেন, তার ফলটাও সে রকমই হবে। এটা মাথায়...

ভালো ঘুমের জন্য খাবার

Image
    অনেকেই অনিদ্রা বা ইনসমনিয়ায় ভোগেন। কারও ঘুম আসতে দেরি হয়, কারও ঘুম রাতে ভেঙে যায়। তাঁদের জন্য রাত একধরনের বিভীষিকা। ইনসমনিয়ার সমস্যায় আজকাল ওষুধ নয়, আচরণগত পরিবর্তন ও কগনিটিভি বিহেভিয়র থেরাপির কথা বেশি বলা হচ্ছে। এই আচরণগত পরিবর্তনের মধ্যে খাদ্যাভ্যাসের কিছু পরিবর্তনও জরুরি। কিছু খাবার অনিদ্রার রোগীদের না খাওয়াই উত্তম। এগুলো কিছু রাসায়নিক তৈরি করে, যা মস্তিষ্ককে উত্তেজিত করে ঘুম দূর করে। যেমন: অতিরিক্ত চিনিযুক্ত বা মিষ্টি খাবার, লবণযুক্ত খাবার, চকলেট, কোমল পানীয়, কৃত্রিম রংযুক্ত খাবার, সংরক্ষিত খাবার ইত্যাদি। এ ছাড়া চা, কফি বেশি খাওয়া উচিত নয়। বেশি দেরি করে খাওয়াও ভালো নয়। ঘুমের অন্তত তিন ঘণ্টা আগে খাওয়া শেষ করবেন। ঘুমাতে যাওয়ার আগে কোনো উত্তেজক পানীয় পান না করাই ভালো। তবে দুধ খাওয়া ভালো। শোয়ার আগে এক চামচ মধুযুক্ত এক কাপ দুধ প্রশান্তি আনে। এর সঙ্গে চারটা বাদামও খেতে পারেন। ক্যালসিয়াম, ট্রিপটোফ্যান, ম্যাগনেশিয়ামযুক্ত খাবার ঘুমের জন্য ভালো। তাই দুধ, দুগ্ধজাত খাবার, ডাল, বাদাম, পনির, ডিম, সূর্যমুখীর বীজ, ডুমুর, খেজুর, কিশমিশ ইত্যাদি নিয়মিত খ...

বাড়িতে রক্তচাপ মাপেন?

Image
শুধু রক্তচাপ মাপার জন্য চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার কোনো মানে হয় না। হোম মনিটরিং বা বাড়িতে রক্তচাপ মাপার অভ্যাসকে আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশন উৎসাহিতই করছে। এতে অনেক না জানা উচ্চ রক্তচাপের রোগীর রক্তচাপ ধরা পড়ে। তা ছাড়া যাঁরা রক্তচাপের ওষুধ খান, অন্তঃসত্ত্বা নারী ও যাঁদের রক্তচাপ ওঠানামা করে, তাঁদের জন্য এই তদারকি বেশ উপকার বয়ে আনে। আসুন, জেনে নিই কীভাবে সঠিক পদ্ধতিতে রক্তচাপ পরিমাপ করা যায়। * রক্তচাপ মাপতে মনিটরযুক্ত যন্ত্রের চেয়ে সাধারণ স্ফিগনোম্যানোমিটারই ভালো। মনিটরযুক্ত যন্ত্র হলে ভালো কোম্পানির নিখুঁত যন্ত্র নিন। বছরে একবার যন্ত্রটি পরীক্ষা করিয়ে নেবেন। *চা-কফি পান করার পর, ব্যায়ামের পর, খাদ্যগ্রহণ বা ধূমপান করার পর বা খুব অস্থিরতার সময় রক্তচাপ না মাপাই ভালো। *একই সময়ে রক্তচাপ দেখা ভালো, বিশেষ করে যদি রক্তচাপের ওঠানামার সমস্যা থাকে। যেমন: সকাল ১০টা ও রাত ৮টা—এমন দুটো সময় ঠিক করে নিলেন। *রক্তচাপ মাপার আগে শান্ত হয়ে ৫-১০ মিনিট বসুন। ঢিলে হাতের বা হাফ হাতা জামা পরুন। হাতটি টেবিলের ওপর বিছিয়ে দিন এমনভাবে যেন তা হার্টের লেভেলে থাকে। কাফটা ঠিক করে বাঁধতে হবে। ব...

অধূমপায়ীদের কি ফুসফুসের ক্যানসার হয়?

Image
ধূমপান ফুসফুসের ক্যানসারের একটি অন্যতম ও প্রধান কারণ। যাঁরা দৈনিক ২ থেকে ৩ প্যাকেট সিগারেট সেবন করেন বা ২০-৩০ বছর ধরে ধূমপান করেন, তাঁদের মধ্যে ৯০ শতাংশ ব্যক্তিরই ফুসফুসের ক্যানসারের ঝুঁকি থাকে। তাই বলে যাঁরা ধূমপান করেন না, তাঁরা কি একেবারেই নিরাপদে থাকেন? অধূমপায়ীদেরও ফুসফুসের ক্যানসার হতে পারে। এমনকি নারীরাও এই ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। তাই ধূমপান করেন না বলে কিছু উপসর্গকে অবহেলা করবেন, তা হয় না। * পরিবেশের ও কর্মক্ষেত্রের নানা দূষণ, গাড়ির ধোঁয়া ফুসফুসের ক্যানসারের কারণ হতে পারে। তাই কাঠ বা কয়লা পোড়ানোর ধোঁয়া বা যানবাহনের ধোঁয়া থেকে নিজেকে রক্ষা করুন। শিল্পকারখানায় কাজ করার সময় মাস্ক ব্যবহার করা ভালো। * নারী ও অধূমপায়ীদের ভিন্ন ধরনের ক্যানসার হয়ে থাকে। পরোক্ষ ধূমপানও অন্যদের ক্যানসারের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। * বেশ কিছুদিনের কাশি, কাশির সঙ্গে রক্তপাত, জ্বর, ওজন হ্রাস ইত্যাদি ফুসফুসের ক্যানসারের পরিচিত লক্ষণ। তবে কিছু অপরিচিত উপসর্গ নিয়েও ফুসফুসের ক্যানসার দেখা দিতে পারে। যেমন-গলার স্বর পরিবর্তন। ধূমপায়ী বা ব্রংকাইটিসের রোগীর সাধারণ কাশির ধরন পরিবর্তন। বুকে বা কাঁধে ব...

খাবার কি মন–মেজাজ খারাপ করে?

Image
কিছু খাবার রাগ বাড়িয়ে দিতে পারে। আর কিছু খাবার মন শান্ত করে। ছবি: প্রথম আলো খাবারের সঙ্গে মন–মেজাজ বা মুড ওঠানামার কোনো সম্পর্ক আছে কি? কিছু খাবার আপনার মেজাজ বা রাগ, আবেগ বাড়িয়ে দিতে পারে। আবার কিছু খাবার আছে যা আপনাকে শান্ত করে। আসুন, দেখি এগুলো কী? চিনি: যখন কোনো কারণে রক্তে শর্করা কমে যায়, মানে চিনির স্তর নিচের দিকে নেমে আসে, তখন আমাদের মেজাজ গরম হয়ে যেতে পারে। রাগ হতে পারে। আমরা খিটখিটে আচরণ করতে পারি। খিদে লাগলে অনেক শিশু চিৎকার–চেঁচামেচি জুড়ে দেয়। অনেকে মারামারি করে। আবার আকস্মিক এক গাদা চিনিযুক্ত খাবার খেয়ে ফেললে সঙ্গে সঙ্গেই শরীরে অনেকখানি ইনসুলিন উৎপন্ন হয়। এই চিনি শোষণ ও ব্যবহার হয়ে যায় সহজেই। কিন্তু ইনসুলিনের প্রভাবে খিদে অনুভূতি, মেজাজ খারাপ লাগা, আবেগ, ক্রোধ বেশি হওয়া চলতেই থাকে। এ জন্য শর্করা খেতে হবে এমন, যা দ্রুত রক্তে চিনি বাড়ায় না। চিনিযুক্ত পানীয়, কোমল পানীয়, জুস, মিষ্টি খাবারের পর অতিরিক্ত ইনসুলিন তৈরি হয় এবং পরে সমস্যা হয়। আবার শস্যজাতীয় খাবার থেকে শর্করা আহরণ করলে তা সহজে চিনি বাড়ায় না, ধীরে রক্তেমেশে ও ধীরে ইনসুলিন উৎপাদন করে। ওমেগা ...

বুকের যত ব্যাথা

Image
    হৃদ্‌রোগ ছাড়াও বুকে ব্যথা এবং প্রচণ্ড ব্যথা হতে পারে। বুকে ব্যথা নিয়ে চিকিৎসকের কাছে গেলে তিনি প্রথমেই নিশ্চিত হয়ে নেন হৃদ্‌রোগের কারণে এমন ব্যথা হচ্ছে কি না। হৃদ্‌রোগের আশঙ্কা বাতিল হলে চিকিৎসক বুকে ব্যথার কারণ খুঁজে বের করার চেষ্টা করেন এবং চিকিৎসার পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। হৃদ্‌রোগ ছাড়া বুকে ব্যথা সব বয়সের মানুষের হতে পারে। নারী বা পুরুষের বেলায় এ ধরনের ব্যথা হওয়ার ক্ষেত্রে কোনো পার্থক্য দেখা যায় না। দেখা গেছে, হৃদ্‌রোগজনিত বুকে ব্যথা নিয়ে যত রোগী আসে, তার চেয়ে চার গুণ বেশি রোগী আসে বুকের অন্য কোনো ব্যথা নিয়ে। এ ধরনের ব্যথার উপসর্গে মাঝে মাঝে ব্যথা হচ্ছে। বুকের ঠিক কোথায় ব্যথা হচ্ছে তা সঠিকভাবে রোগী বলতে পারছে। এ ছাড়া এই ব্যথা ছড়িয়ে পড়ছে না। রোগী সাধারণ কাজকর্ম করতে পারছে। অর্থাৎ, বুকে ব্যথা থাকা সত্ত্বেও রোগীদের সাধারণ কাজকর্ম করতে কোনোই অসুবিধা হয় না। এ ধরনের রোগীরা ব্যথা নিয়ে সাধারণভাবে প্রথমেই হৃদ্‌রোগ বিশেষজ্ঞের কাছে যায় বা তাদের এ ধরনের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে।  সাধারণভাবে এমনটি করার কারণ, বুকে যে ব্যথা হচ্ছে, তা...