Posts

প্রচণ্ড মানসিক চাপ থেকে বাঁচুন সাধারণ কিছু উপায়ে

Image
প্রচণ্ড মানসিক চাপ থেকে বাঁচুন সাধারণ কিছু উপায়ে মানুষের নিত্যসঙ্গী মানসিক চাপ। পারিবারিক অশান্তি, অফিসের ঝামেলা, ব্যক্তিগত জীবন, রাষ্ট্রীয় সমস্যা- সব মিলিয়ে চাপমুক্ত থাকাটাই ভীষণ কঠিন। সারা দিনের নানা সমস্যা আমাদের মনের অনেকটা জুড়ে থাকে। ফলে মানসিক চাপের শিকার হতে হয়। তবে সহজ কিছু উপায় জানা থাকলে এই চাপ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। আসুন দেখে নেওয়া যাক উপায়গুলো : গান : মানসিক চাপে পিষ্ট হওয়া থেকে বাঁচতে শুনতে পারেন হালকা মেজাজের কোনো গান। তবে অবশ্যই আপনার ভালো লাগে এমন গান হতে হবে। অফিসে থাকলেও হাতে মাত্র মিনিট পাঁচেক সময় নিয়ে কাজ রেখে ইয়ারফোনে গান শুনুন। তারপর আবারও কাজে বসুন। গান মস্তিষ্কের কোষকে আরাম দিয়ে কাজের গতি, নিপুণতা সবই বাড়িয়ে দেয়। চুইং গাম : তামাক ছাড়তে অনেকেই চুইং গামে আস্থা রাখেন, মানসিক চাপ কমাতেও এর উপর ভরসা করতে পারেন। চুইং গামের মধ্যে থাকা নানা রাসায়নিক উপাদান স্নায়ুগুলিকে সাময়িক উদ্দীপ্ত করে। ফলে ক্লান্তি দূর হয়। কাজে নতুন শক্তি ফিরে পাওয়া যায়। ক্লান্তি কমে যাওয়ায় মানসিক চাপ থেকেও কিছুটা হলেও মু...

বুড়ো হতে না চাইলে নিয়মিত খেতে হবে এই ১২টি খাবার বুড়ো হতে না চাইলে নিয়মিত খেতে হবে এই ১২টি খাবার

Image
বুড়ো হতে না চাইলে নিয়মিত খেতে হবে এই ১২টি খাবার অ- অ অ+ পরিসংখ্যান বলছে আমেরিকায় বুড়িয়ে যাওয়া প্রতিরোধ সংক্রান্ত গবেষণায় বিনিয়োগের মাত্রা ছাড়িয়েছে ৮ বিলিয়ান মার্কিন ডলার। এ থেকেই প্রমাণ হয়ে যায় যে, বুড়ো হতে চায় না এমন মানুষের সংখ্যা অনেক। আপনিও যদি তাদেরই একজন হয়ে থাকেন তাহলে জেনে নিনি এমন কিছু খাবার সম্পর্কে যেগুলো খাওয়া শুরু করলে ত্বকের বয়স তো কমবেই, সেই সঙ্গে জিনের অন্দরে এমন কিছু পরিবর্তন হতে শুরু করবে যে তার প্রভাবে শরীরেরও বয়স কমবে চোখে পড়ার মতো। প্রসঙ্গত, এই খাবারগুলি খেলে কিন্তু বাস্তবিকই বয়স ধরে রাখা সম্ভব। কথাটা শুনে বিশ্বাস হচ্ছে না নিশ্চয়? ভাবছেন খাবারের সঙ্গে বয়সের কী সম্পর্ক, তাই তো! আসলে বেশ কিছু খাবারে এমন কিছু উপাদান রয়েছে, যেমন ধরুন নিউট্রিয়েন্ট এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা বয়স তো কমায়, সেই সঙ্গে শরীরকেও চাঙ্গা রাখে। শুধু তাই নয়, একাধিক মারণ রোগকে ধারে কাছে ঘেঁষতে দেয় না। ফলে আয়ু বাড়তে সময় লাগে না। আসুন জেনে নেওয়া যাক কী কী খাবারের মধ্যে শরীরের বয়স কমানোর ক্ষমতা রয়েছে... ১. দই বেশ...

দেরি করে ঘুম থেকে ওঠার ঝুঁকি

Image
যারা রাতে দেরি করে ঘুমাতে যান এবং সকালে দেরি করে ঘুম থেকে ওঠেন তাদের অকালে মৃত্যুর ঝুঁকি বেশি থাকে। যুক্তরাজ্যের ৪ লাখ ৩৩ হাজার মানুষের ওপর জরিপ চালিয়ে দেখা যায়, সকালে তাড়াতাড়ি ওঠা ব্যক্তিদের চেয়ে রাতজাগা মানুষের অকাল মৃত্যুর আশঙ্কা ১০ শতাংশ বেশি। গবেষণায় দেখা যায় দেরি করে ঘুম থেকে ওঠার কারণে বিভিন্ন মানসিক ও শারীরিক জটিলতার শিকার হতে হয়। বিজ্ঞানীরা এ সংক্রান্ত গবেষণার জন্য চার ধরনের মানুষকে বেছে নিয়েছেন। যারা প্রতিদিন নিয়মিত সকালে ওঠেন, যারা মাঝে মাঝে সকালে ওঠেন, যারা মাঝে মাঝে দেরি করে ঘুমান এবং যারা প্রতিরাতে নিয়মিত রাত জাগেন। এই চারটি ক্যাটাগরিতে থাকা অংশগ্রহণকারীদের বয়স ৩৮ থেকে ৭৩ বছরের মধ্যে। পরে এই গবেষণাপত্রটি আন্তর্জাতিক ক্রোনবায়োলজি জার্নালে প্রকাশ করা হয়। সেখানে দেখা যায় যে ব্যক্তি নিয়মিত সকালে ঘুম থেকে ওঠেন তার গড় আয়ু রাতজাগা ব্যক্তিদের থেকে সাড়ে ছয় বছর বেশি। তবে এর সঙ্গে ব্যক্তির বয়স, লিঙ্গ, গোত্র, ওজন, আর্থসামাজিক অবস্থা, খাদ্যাভ্যাস, লাইফস্টাইল ইত্যাদি বিভিন্ন বিষয় জড়িত। এই সবগুলো বিষয়ের সামঞ্জস্যপূর্ণ হিসেব শেষেই দেখা যায...

স্বাস্থ্যের জন্য দৌড়

Image
ছবি প্রতীকী অ- অ অ+ দৌড় দারুণ একটা ব্যায়াম। হয়তো সব ধরনের শারীরিক সমস্যার সমাধান না হলেও দৌড়ানোর ফলে অনেক সমস্যার সমাধান পাওয়া যায়। এটা একদিকে যেমন শারীরিক ও মানসিক স্বস্তি বয়ে আনে, তেমনি অনেক রোগ থেকে আমাদের দূরে রাখে। দৌড় আমাদের কী কী উপকারে আসবে তার একটা চিত্র আমরা দেখে নেই। হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা কমাতে দৌড় দৌড় আপনার হৃৎপিণ্ডকে শক্তিশালী করে। শুধু তা-ই নয়, শরীরের রক্তপ্রবাহের দক্ষতা বাড়াতে সহায়তা করে। শরীরে অক্সিজেনের সরবরাহকে সহজ করে। এসব কারণে হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা কমে যায়। হাড় শক্ত করে ওজন ওঠানো সম্পর্কিত ব্যায়াম যেমন আপনার মাংসপেশি শক্ত হতে সহায়তা করে তেমনি দৌড়ও আপনার মাংসপেশিকে শক্তপোক্ত করে তোলে। ঘনত্ব বাড়ায় হাড়ের। শক্তি বাড়াতে দৌড় শরীরের শক্তি বাড়াতে দৌড় অন্যতম এক ব্যায়াম। দৌড়ের অভ্যাস থাকলে সারা দিন এনার্জি লেভেলটা উঁচু পর্যায়ে থাকে। আত্মবিশ্বাস বাড়াতে দৌড় নিয়মিত দৌড়ের অভ্যাস যেমন আপনাকে একটা নিয়মমাফিক জীবনযাপনে সাহায্য করে তেমনি আপনাকে উদ্যমী হতেও সহায়তা করে। দৌড়ে একটা নির্দিষ্ট লক্ষ্য স্থাপ...

দ্রুত পেটের চর্বি কমানোর এই যাদুকরী ওষুধটি ঘরেই বানানো যায়!

Image
শুরুটা পেট থেকে হলেও বেশি দিন যদি কোনো ব্যবস্থা না নেওয়া হয় তাহলে সার্বিকভাবেই দেহের ওজন বাড়তে শুরু করে। আর একথা তো সকলেরই জানা যে ওজন বাড়লে নানা ধরনের জটিল রোগ শরীরে বাসা বাঁধতে শুরু করে। ফলে জীবন দুর্বিসহ হয়ে ওঠে। তাই তো সঠিক সময়ে ব্যবস্থা নেওয়াটা একান্ত প্রয়োজন। এখন প্রশ্ন এক্ষেত্রে কী করলে দ্রুত উপকারে লাগতে পারে? এই প্রবন্ধে এমন একটি ঘরোয়া ওষুধ নিয়ে আলোচনা করা হল, যা দ্রুত পেটের মেদ ঝরাতে সক্ষম। তাই আপনিও যদি অতিরিক্ত ওজনের কারণে চিন্তায় থাকেন, তাহলে একবার পড়ে দেখতেই পারেন এই লেখাটি। প্রসঙ্গত, শরীরে নানা কারণে মেদ জমতে পারে। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অনিয়ন্ত্রিত খাওয়া-দাওয়া এবং শরীরচর্চার প্রতি অনিহাই এর জন্য দায়ী। নানা রোগের কারণেও পেটে চর্বি জমে। তাই এখনই সাবধান হন। না হলে কিন্তু বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নিজের অজান্তেই কোলেস্টেরল, উচ্চ রক্তচাপ, পিঠের যন্ত্রণা, হাটু ব্যাথা অথবা হার্টের রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়বেন। আর একবার এই রোগগুলির কোনো একটা শরীরে বাসা বাঁধলে কষ্টের শেষ থাকবে না কিন্তু! ঘরোয়া ওষুধটি বানাতে প্রয়োজন পড়বে: ১. জিরা পাউড...

১৫৫ কেজি ওজন কমিয়েছেন আদনান সামি! বিনোদন ডেস্ক

Image
১৫৫ কেজি ওজন কমিয়েছেন আদনান সামি! বিনোদন ডেস্ক ২১ জুন ২০১৮, ২১:১৯ আপডেট: ২১ জুন ২০১৮, ২১:৩৯     আদনান সামি ‘মুঝকো ভি তো লিফট কারা দে’ গানের কথা মনে আছে নিশ্চয়ই? এই গান দিয়েই বলিউডে আগমন হয় নাদুসনুদুস এক তরুণের। নাম তাঁর আদনান সামি। ২০০০ সালের দিকে মুক্তি পাওয়া সেই গান দারুণ জনপ্রিয়তা পায়। এরপর একে একে আসে তাঁর ‘ভিগি ভিগি রাতো মে’, ‘তেরা চেহরা’, ‘উড়ি উড়ি’, ‘কাভি নেহি’, ‘শুন জারা’সহ অসংখ্য জনপ্রিয় গান। কিন্তু পাঁচ-ছয় বছর পর এই জনপ্রিয়তার তুঙ্গে থাকতেই হঠাৎ উধাও হয়ে যান আদনান সামি। অনেক দিন এই পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত তারকা গণমাধ্যম থেকে দূরে ছিলেন। আর দূরে থাকার কারণ ছিল তাঁর অতিরিক্ত ওজন। আদনান সামি ওই সময় ছিলেন ২০০ কেজি। অতিরিক্ত ওজনের কারণে অনেকেই তাঁকে ব্যঙ্গ করতেন। আর ক্যামেরায়ও ভালো দেখাত না। এমনকি সাবেক স্ত্রী তাঁকে ছেড়ে যাওয়ার কারণ...

গেমিংয়ের নেশা ‘মানসিক রোগ’

Image
  কম্পিউটার, স্মার্টফোন বা এ জাতীয় যন্ত্রে গেম খেলার নেশাকে প্রথমবারের মতো ‘মানসিক রোগ’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করতে যাচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। আন্তর্জাতিক এ সংস্থাটির ১১তম ইন্টারন্যাশনাল ক্লাসিফিকেশন অব ডিজিজেসে (আইসিডি) এটিকে ‘গেমিং ডিস-অর্ডার’ হিসেবে উল্লেখ করা হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এসংক্রান্ত খসড়া দলিলে গেমিং আসক্তিকে বর্ণনা করা হয়েছে এমন আচরণ হিসেবে, যা জীবনের সব কিছুর আকর্ষণ থেকে একজনকে দূরে সরিয়ে নেয়। বিশ্বের কয়েকটি দেশে গেমিং আসক্তিকে ইতিমধ্যে একটি প্রধান জনস্বাস্থ্য সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। যুক্তরাজ্যসহ কয়েকটি দেশে ইতিমধ্যে এর চিকিৎসার জন্য ‘প্রাইভেট অ্যাডিকশন ক্লিনিক’ পর্যন্ত রয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সর্বশেষ আইসিডি তৈরি করে ১৯৯২ সালে। নতুন গাইডলাইনটি প্রকাশ হবে এ বছরই। এ গাইডে বিভিন্ন রোগের কোড, লক্ষণ এবং উপসর্গ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য থাকে। চিকিৎসক এবং গবেষকরা এটির সঙ্গে মিলিয়ে রোগ নির্ণয়ের চেষ্টা করেন। গেমিং আসক্তিকে কখন মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা হিসেবে বর্ণনা করা হবে, এর বিস্তারিত থাকছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এ গাইডলাইনে। তাত...