ফিট থাকতে যা করি এবং যা করাটাই যথেষ্ট
ফিট থাকতে যা করি এবং যা করাটাই যথেষ্ট
----------------------------------------------
ব্যায়াম, ডায়েটিং এবং ঘুমের সুষ্ঠু সমন্বয় করেও নিজেকে ফিট মনে হচ্ছে না? আসলে স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনে খুব বেশি কিছু করতে হয় না। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন আসলে আমাদের কি করা উচিত এবং আমরা কি করি। সেই সঙ্গে জানিয়েছেন কতটুকু করাটাই যথেষ্ট। পার্থক্যটা বুঝে নিজেকে সংশোধন করুন।
----------------------------------------------
ব্যায়াম, ডায়েটিং এবং ঘুমের সুষ্ঠু সমন্বয় করেও নিজেকে ফিট মনে হচ্ছে না? আসলে স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনে খুব বেশি কিছু করতে হয় না। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন আসলে আমাদের কি করা উচিত এবং আমরা কি করি। সেই সঙ্গে জানিয়েছেন কতটুকু করাটাই যথেষ্ট। পার্থক্যটা বুঝে নিজেকে সংশোধন করুন।
১. ব্যায়াম :
যা করা উচিত : সপ্তাহে অন্তত ৫ বার টানা ৩০ মিনিট ধরে ব্যায়াম করা উচিত। একজন প্রশিক্ষকের কাছে পরামর্শ নিয়ে সঠিক পদ্ধতিতে ব্যায়াম করা উচিত।
যা করি আমরা : এক ব্রিটিশ গবেষণায় বলা হয়, ১৮ শতাংশ মানুষ মোটেও ব্যায়াম করেন না। ৪০ শতাংশ মাসে একবার ব্যায়াম করেন। আর ১৬ শতাংশ ফিট থাকতে কোনরকমে ব্যায়াম করেন।
যা করা যথেষ্ট : আপনার অত্যাধুনিক ব্যায়ামাগারের প্রয়োজন নেই। উচ্চপ্রযুক্তির মেশিন ব্যবহারেরও দরকার পারেন না। এ ছাড়া দৈনন্দিন অভ্যাসে পরিবর্তন এনে ফিট থাকতে পারেন। যেমন- সামান্য রাস্তা হেঁটে পাড়ি দিন। কাজের ফাঁকে পাঁচ মিনিটের জন্যে হেঁটে আসুন ইত্যাদি।
২. পানি পান :
যা করা উচিত : ইউরোপিয়ান ফুড সেফটি অথোরিটি জানায়, প্রতিদিন নারীদের ২ লিটার এবং পুরুষদের আড়াই লিটার পানি খাওয়া প্রয়োজন। দেহের ৬০ শতাংশ পানি থাকে। বিভিন্ত প্রত্যঙ্গে পুষ্টি উপাদান বহন, দেহের তাপমাত্রার ভারসাম্য রক্ষা এবং হাড়ের সংযোগস্থলকে পিচ্ছিল রাখা ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ কাজে পানি অপরিহার্য উপাদান।
যা করি আমরা : এক জরিপে বলা হয়, ৬০ শতাংশ মানুষ চোখের সামনে পানি থাকলে নিয়ে খান। এ ছাড়া নিজ তাগিদে খাওয়া হয়ে ওঠে না।
যা করা যথেষ্ট : ফলের রস বা অন্যান্য খাবার থেকেও ৩০ শতাংশ পানি সংগ্রহ করে দেহ। প্রতিদিন সকালে উঠে দুই গ্লাস পানি খেয়ে নিন। এ ছাড়া গোটা দিনে কয়েক গ্লাস পানি খেলেই চলবে।
৩. সকালের নাস্তা :
যা করা উচিত : প্রতিদিন সকালে পুষ্টিকর নাস্তা পেটপুরে খাওয়া উচিত। এতে দেহের ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে। সকালে পুষ্টিকর নাস্তার মাধ্যমে গোটা দিনের শক্তি পেয়ে যাবেন।
যা করি আমরা : প্রায় ৫০ শতাংশ মানুষ সকালের নাস্তা না করেই বাসা থেকে বেরিয়ে যান। কিলগের এক জরিপে জানানো হয়, স্কুলে প্রতি ৫ জনের মধ্যে ৪ জন শিক্ষার্থী ক্ষুধার্ত অবস্থায় স্কুলে পৌঁছায়।
যা করা যথেষ্ট : কিছু না কিছু খেয়ে নিন। একটি ডিম খান। একটা কলা খেয়ে নিন। অথবা দুটো রুটি খেয়ে নিতে পারেন। যতটুকুই খাবেন তাই শরীরে পুষ্টি দেবে।
৪. ঘুম :
যা করা উচিত : প্রতিরাসে ৭-৮ ঘণ্টার ঘুম সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর বলে বিবেচিত হয়। এতে দৈহিক ও মানসিকভাবে সুস্থ থাকে মানুষ।
যা করি আমরা : অধিকাংশ মানুষই রাতে ৭ ঘণ্টার কম সময় ঘুমান। আবার এক-তৃতীয়াংশ মানুষ রাতে ৫-৬ ঘণ্টা ঘুমান। বিভিন্ন গবেষণায় বলা হয়, ৬ ঘণ্টার কম সময়ের স্ট্রোক এবং হৃদরোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি করে।
যা করা যথেষ্ট : মূলত কতটুকু ঘুমালেন তা ব্যাপার নয়। ঘুমের গুণগত মান বিবেচনা করুন। যদি ৪ ঘণ্টার ঘুম গভীর হয় তবে আপনি দারুণ বোধ করবেন। এর জন্যে ঘুমের পরিবেশটা আরামদায়ক হতে হবে। ঠাণ্ডা, চুপচাপ, অন্ধকার এবং প্রযুক্তির আলোমুক্ত হতে হবে শয়নকক্ষ। সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া
যা করা উচিত : সপ্তাহে অন্তত ৫ বার টানা ৩০ মিনিট ধরে ব্যায়াম করা উচিত। একজন প্রশিক্ষকের কাছে পরামর্শ নিয়ে সঠিক পদ্ধতিতে ব্যায়াম করা উচিত।
যা করি আমরা : এক ব্রিটিশ গবেষণায় বলা হয়, ১৮ শতাংশ মানুষ মোটেও ব্যায়াম করেন না। ৪০ শতাংশ মাসে একবার ব্যায়াম করেন। আর ১৬ শতাংশ ফিট থাকতে কোনরকমে ব্যায়াম করেন।
যা করা যথেষ্ট : আপনার অত্যাধুনিক ব্যায়ামাগারের প্রয়োজন নেই। উচ্চপ্রযুক্তির মেশিন ব্যবহারেরও দরকার পারেন না। এ ছাড়া দৈনন্দিন অভ্যাসে পরিবর্তন এনে ফিট থাকতে পারেন। যেমন- সামান্য রাস্তা হেঁটে পাড়ি দিন। কাজের ফাঁকে পাঁচ মিনিটের জন্যে হেঁটে আসুন ইত্যাদি।
২. পানি পান :
যা করা উচিত : ইউরোপিয়ান ফুড সেফটি অথোরিটি জানায়, প্রতিদিন নারীদের ২ লিটার এবং পুরুষদের আড়াই লিটার পানি খাওয়া প্রয়োজন। দেহের ৬০ শতাংশ পানি থাকে। বিভিন্ত প্রত্যঙ্গে পুষ্টি উপাদান বহন, দেহের তাপমাত্রার ভারসাম্য রক্ষা এবং হাড়ের সংযোগস্থলকে পিচ্ছিল রাখা ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ কাজে পানি অপরিহার্য উপাদান।
যা করি আমরা : এক জরিপে বলা হয়, ৬০ শতাংশ মানুষ চোখের সামনে পানি থাকলে নিয়ে খান। এ ছাড়া নিজ তাগিদে খাওয়া হয়ে ওঠে না।
যা করা যথেষ্ট : ফলের রস বা অন্যান্য খাবার থেকেও ৩০ শতাংশ পানি সংগ্রহ করে দেহ। প্রতিদিন সকালে উঠে দুই গ্লাস পানি খেয়ে নিন। এ ছাড়া গোটা দিনে কয়েক গ্লাস পানি খেলেই চলবে।
৩. সকালের নাস্তা :
যা করা উচিত : প্রতিদিন সকালে পুষ্টিকর নাস্তা পেটপুরে খাওয়া উচিত। এতে দেহের ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে। সকালে পুষ্টিকর নাস্তার মাধ্যমে গোটা দিনের শক্তি পেয়ে যাবেন।
যা করি আমরা : প্রায় ৫০ শতাংশ মানুষ সকালের নাস্তা না করেই বাসা থেকে বেরিয়ে যান। কিলগের এক জরিপে জানানো হয়, স্কুলে প্রতি ৫ জনের মধ্যে ৪ জন শিক্ষার্থী ক্ষুধার্ত অবস্থায় স্কুলে পৌঁছায়।
যা করা যথেষ্ট : কিছু না কিছু খেয়ে নিন। একটি ডিম খান। একটা কলা খেয়ে নিন। অথবা দুটো রুটি খেয়ে নিতে পারেন। যতটুকুই খাবেন তাই শরীরে পুষ্টি দেবে।
৪. ঘুম :
যা করা উচিত : প্রতিরাসে ৭-৮ ঘণ্টার ঘুম সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর বলে বিবেচিত হয়। এতে দৈহিক ও মানসিকভাবে সুস্থ থাকে মানুষ।
যা করি আমরা : অধিকাংশ মানুষই রাতে ৭ ঘণ্টার কম সময় ঘুমান। আবার এক-তৃতীয়াংশ মানুষ রাতে ৫-৬ ঘণ্টা ঘুমান। বিভিন্ন গবেষণায় বলা হয়, ৬ ঘণ্টার কম সময়ের স্ট্রোক এবং হৃদরোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি করে।
যা করা যথেষ্ট : মূলত কতটুকু ঘুমালেন তা ব্যাপার নয়। ঘুমের গুণগত মান বিবেচনা করুন। যদি ৪ ঘণ্টার ঘুম গভীর হয় তবে আপনি দারুণ বোধ করবেন। এর জন্যে ঘুমের পরিবেশটা আরামদায়ক হতে হবে। ঠাণ্ডা, চুপচাপ, অন্ধকার এবং প্রযুক্তির আলোমুক্ত হতে হবে শয়নকক্ষ। সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া
Comments
Post a Comment