গেমিংয়ের নেশা ‘মানসিক রোগ’


 Image result for mobile addiction images


কম্পিউটার, স্মার্টফোন বা এ জাতীয় যন্ত্রে গেম খেলার নেশাকে প্রথমবারের মতো ‘মানসিক রোগ’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করতে যাচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। আন্তর্জাতিক এ সংস্থাটির ১১তম ইন্টারন্যাশনাল ক্লাসিফিকেশন অব ডিজিজেসে (আইসিডি) এটিকে ‘গেমিং ডিস-অর্ডার’ হিসেবে উল্লেখ করা হবে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এসংক্রান্ত খসড়া দলিলে গেমিং আসক্তিকে বর্ণনা করা হয়েছে এমন আচরণ হিসেবে, যা জীবনের সব কিছুর আকর্ষণ থেকে একজনকে দূরে সরিয়ে নেয়। বিশ্বের কয়েকটি দেশে গেমিং আসক্তিকে ইতিমধ্যে একটি প্রধান জনস্বাস্থ্য সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। যুক্তরাজ্যসহ কয়েকটি দেশে ইতিমধ্যে এর চিকিৎসার জন্য ‘প্রাইভেট অ্যাডিকশন ক্লিনিক’ পর্যন্ত রয়েছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সর্বশেষ আইসিডি তৈরি করে ১৯৯২ সালে। নতুন গাইডলাইনটি প্রকাশ হবে এ বছরই। এ গাইডে বিভিন্ন রোগের কোড, লক্ষণ এবং উপসর্গ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য থাকে। চিকিৎসক এবং গবেষকরা এটির সঙ্গে মিলিয়ে রোগ নির্ণয়ের চেষ্টা করেন।
গেমিং আসক্তিকে কখন মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা হিসেবে বর্ণনা করা হবে, এর বিস্তারিত থাকছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এ গাইডলাইনে। তাতে বলা হয়েছে, ১২ মাস ধরে অস্বাভাবিক গেমিং আসক্তি বা আচরণ দেখা গেলে তা নির্ণয়ের পদক্ষেপ নিতে হবে। তবে কারো কারো ক্ষেত্রে অস্বাভাবিক আচরণের মাত্রা অনেক তীব্র হলে ১২ মাসের আগেই ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে। যেসব লক্ষণের কথা তাতে বলা হয়েছে সেগুলো হলো—গেমিং নিয়ে নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলা, গেমিংয়ে সবচেয়ে প্রাধান্য দেওয়া, নেতিবাচক প্রভাব সত্ত্বেও গেমিং অব্যাহত রাখা বা আরো বেশি গেমিং ইত্যাদি। সূত্র : বিবিসি।

Comments

Popular posts from this blog

দেরি করে ঘুম থেকে ওঠার ঝুঁকি

১৫৫ কেজি ওজন কমিয়েছেন আদনান সামি! বিনোদন ডেস্ক